বিদ্রোহ সম্পর্কিত তথ্য কণিকা

///বিদ্রোহ সম্পর্কিত তথ্য কণিকা

বিদ্রোহ সম্পর্কিত তথ্য কণিকা

বিদ্রোহের নেপথ্যে দাবিনামা
বিদ্রোহের নেপথ্যে বিডিআর জওয়ানরা ৫০ দফা দাবি সংবলিত একটি দাবিপত্রও উপস্থাপন করেন। তারা বিডিআর এর নিজস্ব কর্মকর্তা দিয়ে এই বাহিনী পরিচালনা, বিডিআরকে আধুনীকরণের জন্য বিসিএস পরীার মাধ্যমে কর্মকর্তা নিয়োগ ও বেতন বৈষম্য দূরীকরণের বিষয়গুলো তুলে ধরে।

বিদ্রোহের দিনের ঘটনার ধারাবাহিকতা

কী ঘটেছিল সেদিন; সেটা সরকারি তদন্ত কমিটির রিপোর্টের আলোকে সংেেপ তুলে ধরা হল।
১. ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্র“য়ারি সকাল ৯টা ২ মিনিটে পিলখানার দরবার হলে বিডিআরের বার্ষিক দরবার শুরু হয়। তখন বিডিআর সপ্তাহ চলছিল। অতএব সারা বাংলাদেশব্যাপী বিভিন্ন সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন থেকে অফিসার ও প্রতীকীভাবে কিছু কিছু সৈনিক উপস্থিত ছিলেন। সকল সেক্টর কমান্ডার ও ব্যাটালিয়ন কমান্ডার এবং সদর দপ্তরের সকল কর্মকর্তা দরবারে উপস্থিত ছিলেন। দরবারে মোট জনসংখ্যা উপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৫৬০ জন।
২. সকাল ৯টা ২৬ মিনিটে ডিজি বক্তব্য দেয়ার সময় মঞ্চের বাঁ দিক থেকে দুজন জওয়ান অতর্কিত মঞ্চে প্রবেশ করে। তাদের একজন ছিল সশস্ত্র। এর মাধ্যমে সূচনা হয় বিদ্রোহের। ৯টা ৩০ মিনিটে ডিজি নিজে প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মোবাইলে ফোন করে সেনা হস্তেেপর অনুরোধ জানান। ১০:৩০ মিনিটে বিদ্রোহীরা গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে দরবার হলে প্রবেশ করে এবং কর্মকর্তাদের বের হয়ে আসার নির্দেশ দেয়। ঐ সময় উপস্থিত কয়েকজন কর্মকর্তা মিলে ডিজিকে বৃত্তাকারে ঘিরে মানবপ্রাচীর তৈরি করে এবং কর্মকর্তারা মঞ্চের পেছন দিক থেকে বেরিয়ে আসেন। (এসব তথ্য দরবার হলের সিসিটিভির রেকর্ড থেকে পাওয়া)

৩. আনুমানিক ১০:৩৫ মিনিটে ডিজির নেতৃত্বে কর্মকর্তারা সারিবদ্ধভাবে দরবার হল থেকে বেরিয়ে কয়েক সিঁড়ি নামা মাত্রই মুখোশপরা কিছু ব্যক্তি কর্মকর্তাদের ল্য করে ব্রাশফায়ার করে। মুহূর্তেই ঢলে পড়েন ডিজিসহ কয়েকজন সেনাকর্মকর্তা।
৪. ১১টায় বিদ্রোহিরা ম্যাগজিন ভেঙ্গে গোলা-বারুদ সংগ্রহ করে। তারও আগে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে অস্ত্রাগারের নিরাপত্তায় নিয়োজিত দুই কর্মকর্তাকে হত্যা করে অস্ত্র লুট করা হয়েছিল।
৫. ১১টা নাগাদ সেনাবাহিনীর একটি দল বিডিআর ৪ নম্বর গেটের কাছে অবস্থান নেয়।
৬. আনুমানিক এই একই সময়ে বা ১১টার দিকে বিদ্রোহীরা প্রায় ১৬টি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। বাইরে থেকে প্রচণ্ড ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।
৭. বেলা ১২:১৫ মিনিটে সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারের মাধ্যমে লিফলেট ছুড়ে বিদ্রোহীদের অস্ত্র সমর্পনের আহ্বান জানানো হয়। এ সময় বিদ্রোহীরা হেলিকপ্টার ল্য করে গুলি ছোঁড়ে এবং হেলিকপ্টারটিতে ৬টি গুলি লাগে।
৮. দুপুর ১২টার দিকে বিদ্রোহীদের পে ৩ নম্বর গেটে একটি মিছিল বের হয়। এরপরপরই বিদ্রোহীরা প্রায় ২০ মিনিট ধরে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়ে আতংক তৈরি করে।
৯. বিদ্রোহীরা মাইকে ঘোষণা দেয় আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে একা পিলখানায় যেতে হবে। দুপুর ১:৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর পে বিদ্রোহীদের নিরস্ত্রীকরণের পদপে হিসেবে সাদা পতাকা নিয়ে ৪ নম্বর গেটে যান জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সরকারি দলের হুইপ মির্জা আজম। বেলা ৩টায় প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, এমপি ফজলে নুর তাপস ও সরকারি দলের হুইপ মির্জা আজমের সঙ্গে, ৪ নম্বর ফটকে অবস্থানরত জওয়ানরা কথা বলতে রাজি হয়।
১০. বেলা ৩:৪০ মিনিটে ডিএডি তৌহিদের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলতে যান। যমুনার ওই বৈঠকে তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন। ওইসময় পিলখানার ভিতরে জওয়ানরা গাড়িতে করে টহল দিতে থাকে ও মুহুমহু গুলি ছুঁড়তে থাকে। কিছুণ পর পর তারা গুলি ছুড়ে আতংক ও ভীতি ছড়ায়।
১১. বিদ্রোহ শুরুর পর থেকেই, কিছু কিছু বিদ্রোহী ব্যক্তি সেনা কর্মকর্তাদের বাসভবনে হামলা, লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। বহু নারীর শ্লীলতাহানি ঘটায় এবং এইরূপ তাণ্ডবলীলা চালাতে থাকে। এর মধ্যে নিরাপত্তার আশায় বিভিন্ন স্থানে পরিচয় গোপন করে লুকিয়ে থাকা সেনা কর্মকর্তাদেরকে বিদ্রোহীগণ খুজে খুজে বের করে হত্যা করতে থাকে।
১২. ২৫ ফেব্র“য়ারি সন্ধ্যা ৬ টায়, প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদ্রোহীদের সাধারণ মা ঘোষণা করেছেন। এই মর্মে সংবাদ দেশবাসী জানতে পারে মিডিয়ার মাধ্যমে। সন্ধ্যা ৬:৪৫ মিনিটে যমুনা থেকে বিদ্রোহীদের প্রতিনিধি দল পিলখানায় ফেরত আসে।
১৩. সন্ধ্যা ৭টায় বিদ্রোহীরা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে গেজেট আকারে প্রকাশ করার দাবি জানান এবং একইভাবে গুলি ছুড়ে ভীতি ছড়াতে থাকে।
১৪. সন্ধ্যার পরে পিলখানার ভিতরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে, মাটিতে গর্ত খনন করে, নিহত সেনাকর্মকর্তাদের লাশ মাটি চাপা দেয়া হয়।
১৫. ২৫ ফেব্র“য়ারী রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পিলখানায় যান এবং বিদ্রোহীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। রাত দেড়টায় বিদ্রোহীরা কিছু অস্ত্র সমর্পন করে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তা গ্রহণ করেন।
১৬. দেশব্যাপী জনসাধারণের মধ্যে, রাজনৈতিক সরকারের বিভিন্ন স্তরে এবং সাধারণভাবে প্রশাসনে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা চলতে থাকায়, পরেরদিন বেলা ১১:৩০ মিনিটে ৩ বাহিনীর প্রধানের সাথে বৈঠক করেন এবং প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
১৭. দুপুর ২:৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন।
১৮. বিকেল ৪:১৫ মিনিটে এক ডজনের বেশি ট্যাঙ্ক ধানমন্ডি এলাকায় অবস্থান নেয়। এই সময় পিলখানার আশেপাশে দুই কিলোমিটার এলাকাথেকে সব লোকজন সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয় এবং সেটা মাইকে প্রচার করা হয়।
১৯. বিকেল ৫টায় বিদ্রোহীরা অস্ত্র সমর্পণ করে এবং পিলখানা থেকে পালিয়ে যেতে থাকে। পালিয়ে যাওয়ার কাজটি সন্ধ্যার পরও অব্যাহত থাকে। শত শত বিডিআর জওয়ান পিলখানা থেকে পালিয়ে যায় রাতভর।
২০. সন্ধ্যা ৭টায় সমর্পণ করা অস্ত্র বুঝে নিতে পিলখানায় পুলিশ প্রবেশ করে।
২১. ২৭ তারিখ সকালে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ নিহত ও নিখোঁজদের লাশের সন্ধান শুরু করে। পিলখানা হাসপাতালের মরচুয়ারির পূর্বদিকে সৃষ্টি করা গণ-কবর থেকে একসঙ্গে বের করে আনা হয় ৩৮ সেনা কর্মকর্তার লাশ।
২২. বিদ্রোহে অস্ত্র ব্যবহার হয় ৩৪৪১টি, গুলি ব্যবহার হয় ৩৬ হাজার।
২৩. পিলখানা থেকে খোয়া যায় ৭১টি ছোট অস্ত্র, ৫টি রাইফেল, একটি এসএমজি, ১৯৯টি আর্জেজ গ্রেনেড।

তদন্ত: পিলখানা হত্যা মামলায়, সরকার সাবেক সচিব আনিস-উজ-জামানের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি করে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঘটনার তদন্ত করে আলাদাভাবে। সেনাবাহিনীর তদন্ত দল তথা কোর্ট অফ ইনকোয়ারি থেকে একজন সদস্য পদত্যাগ করেছিলেন বা অব্যাহতি চেয়ে দায়িত্বমুক্ত হয়েছিলেন। আনিস-উজ-জামান কমিটির নির্বাচিত কিছু অংশ সরকার প্রকাশ করেছে। কিন্তু রিপোর্টের সংবেদনশীল অংশগুলো আজও প্রকাশ করেনি সরকার। সেনাবাহিনীর গঠিত তদন্ত রিপোর্টও প্রকাশিত হয়নি।

বিদ্রোহ মামলা: হত্যা ও অস্ত্র-বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা করে পুলিশ। যেহেতু দেশব্যাপী বিডিআর সেক্টর বা ইউনিটগুলোর বহুসংখ্যক সৈনিক বিদ্রোহে জড়িত হয়ে পড়েছিল, সেহেতু সারাদেশে ৫৭টি মামলা হয় এবং মোট ৬ হাজার ৪৫ জনকে আসামী করা হয়। বিদ্রোহ সংক্রান্ত মামলার বিচারিক কার্যক্রম, বিডিআর এর নিজস্ব আইনে ২০ অক্টোবর ২০১২ তারিখে শেষ হয়েছিল। এই মামলায় তদন্ত চলাকালে প্রায় ৭৪জন বিডিআর সদস্য নিহত হয়েছে। তদন্ত সংস্থার দাবি তারা অসুস্থ হয়ে বা আত্মহত্যা করে মারা গেছে। কিন্তু নিহতদের স্বজনদের দাবি তাদেরকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। রায়ে দেখা যায় সদর রাইফেলস ব্যাটালিয়নের ৭২৩ জনকে সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। বিদ্রোহের ঘটনায় ১১টি বিশেষ আদালত কার্যকর ছিল। মোট সাজা হয়েছে ৫৯২৬ জনের। খালাস পেয়েছে ১১৫ জন। আইনী বাধ্যবাধকতা থাকায়, পিলখানা বিদ্রোহ ও হত্যার ঘটনায় পরিকল্পনাকারীদের ও নেতৃত্ব প্রদানকারীদের অন্যতম ডিএডি তৌহিদ-সহ ৬ জন ডিএডি-কে বিদ্রোহ মামলায় বিচারের মুখোমুখি করা যায়নি; তবে হত্যা মামলায় বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। ১৯৭৪ সালে প্রবর্তিত বিডিআর এর আইন মোতাবেক বিদ্রোহের সর্বোচ্চ সাজা ছিল ৭ বছর। সাম্প্রতিককালে এই আইনটি সংশোধিত হয়েছে এবং সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড রাখা হয়েছে।
হত্যা মামলা:
হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত মামলায় যারা অভিযুক্ত আছেন (৮৫০ জন) তাদের মধ্যে অনেকেই বিদ্রোহের মামলাগুলোর প্রোপটেও অভিযুক্ত এবং দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন। ৩০ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে হত্যা মামলার রায় ঘোষণার তারিখ ছিল কিন্তু পরে তারিখ পিছিয়ে ৫ নভেম্বর স্থির করা হয়েছে। ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন রাষ্ট্রপরে আইনজীবীরা। আসামী পরে আইনজীবীরা যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে। বাংলাদেশে বিদ্যমান (১৮৯৮ সাল) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনে মামলা সম্পন্ন হয়েছে। বিডিআর বিদ্রোহে হত্যার ঘটনায় লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলিশের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) নবোজ্যোতি খীসা প্রথমে লালবাগ থানায় পরে নিউ মার্কেট থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুইটি মামলা দায়ের করেছিলেন। বিভিন্ন সময়ে এজাহারভুক্ত ২১৮৭ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। অনেককেই রিমান্ডে নেয়া হয়েছিল। রিমান্ড শেষে ৫২১ জন আসামী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। কিন্তু, পরবর্তীতে অভিযুক্ত ১২৫ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রত্যাহারের আবেদন জানায়। ঘটনার তদন্ত করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডি। অভিযোগ পত্র দাখিল করেন সিআইডি’র বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহহার আকন্দ। অভিযোগ পত্রের সঙ্গে দাখিল করা নথিপত্রের পরিমাণ ৮৭ হাজার পৃষ্ঠা।

২০১১ সালের ৫ ফেব্র“য়ারি পিলখানা হত্যা মামলার বিচার কাজ শুরু হয়েছিল। একই বছরের ২৮ মার্চ মামলার এজাহার পাঠের মধ্য দিয়ে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ১০ আগস্ট ২০১১ তারিখে ৮৫০ জন আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। দীর্ঘ ২ বছরের বেশি সময় মামলাটি পরিচালনা করার পর ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মহানগর দায়রা জজ জহুরুল হকের আদালত থেকে, মামলাটি স্থানান্তর করা হয়েছিল তৃতীয় মহানগর দায়রা জজ ড. মো. আকতারুজ্জামানের আদালতে।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কর্তৃক দাখিলকৃত অভিযোগপত্রে এই আলোচিত হত্যা মামলায় স্বাী ছিলেন ১২৭৫ জন। এদের মধ্যে ২৩২ কার্যদিবসে ৬৫৪ জন স্বাী আদালতে তাদের জবানবন্দী পেশ করেন। যথাযথভাবে তাদেরকে জেরা করেন অভিযুক্ত পরে আইনজীবীরা। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্র“য়ারি সংঘটিত পিলখানায় হত্যা মামলায় অভিযোগ পত্রে আসামীর সংখ্যা ছিল ৮২৪ জন; পরে অধিকতর তদন্তের পর আরও ২৬ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এদের মধ্যে বিডিআর এর পোষাকধারী বিভিন্ন পদবীর সদস্য ৭৮২ জন্য এবং বিডিআরে কর্মরত বেসামরিক সদস্য ২৩ জন অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। অন্যতম অভিযুক্ত হচ্ছেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু।

About the Author:

Leave A Comment